Western influence in Tagore songs

Rabindranath Tagore is often hailed as the “Vishwa-Kavi” or the “Poet of the world” due to his vast and universal nature of creations. His music compositions, known as Rabindrasangeet, are often notable in this case. As an avid traveller and art lover, Tagore embraced all the music and compositions worldwide. He took inspiration from different western pieces of music and Indianised these tunes to compose his songs. Some of his songs have a strong influence from his contemporary time’s English, Irish, and Scottish compositions.

Tagore probably became fascinated with western music as he traveled to England for the first time in 1878. In his memoir, Jeevan Smriti explained,” I cannot claim that I have experienced the soul of European music. However, the music I experienced as an intense listener was heartfelt and attracted me immensely. I felt the music to be romantic and a melodic expression of the diversity in life.”

While some of his music compositions have been influenced by western pieces, the variety of influence is notable. In some of his compositions, Tagore only adapted the tune of a particular piece. He also adapted both the theme and the tune of western composition. On the other hand, Tagore also Indianised the beats and rhythm of western classical compositions with his twist.

Here are a few songs that come with western influence:

Inspiration: Go where glory waits thee.”

Songs: “Aha aji e basante”, “Ohe Doyamoy Nikhilo” and “Mori O Kahar Bacha”

A popular Irish folk song influences these popular Rabindra Sangeets. Tagore took inspiration from “Go where glory waits thee,” a composition of Thomas Moore.

In the case of “Aha aji e basante” ( a song for the dance drama “Mayar Khela”), Tagore also loosely adapted the theme of this popular Irish folk song. Tagore used the “Trial” in Qawali style to suit the tempo of this song.

On the other hand, for the song “Ohe doyamoy Nikhilo,” he only used the notes of “Go where the Glory Waits Thee.” He used Raag Bilawal and adapted “Kaharwa” taal to make the music melodious.

Besides that, Rabindra sangeets “Maana na manili,” “Ohe Doyamoy Nikhilo,” and “Mori O Kahar Bacha” also influenced “Go where glory waits thee.”

Inspiration: Nancy Lee

Songs: “Kali Kali Kali Blo”

This music from Balmiki Pratibha is inspired by the English song “Nancy Lee. ” Here, Tagore only adapted the tune and Indianised it. The tune and the rhythm were the same as the English music, but the context and meaning differed. The yodeling of “Nancy Lee” perfectly matched with the crowning of the “Joy joy joy joy…” in the song “Kali Kali Kali bolo” in Balmiki Pratibha.

Inspiration: Drink me only with thine eyes.”

Tagore’s compositions: “Kotobarp Vebechinu,” “Keno go se more,” “Kotha acho Probhu.”

Tagore took inspiration from another popular Scottish song named” Drink to me only with thine eyes”. This classical Scottish English song was a composition of Ben Johnson, originally a poem named “To celia”.

In Kotobaro Vebechinu”, Tagore kept the tune intact with faster beats and a faster rhythm. The essence of the song is also the same where a lover expresses their selfless love.

Both the other songs, “Keno Go se More” and “Kotha acho prabhu”, have a tune similar to “Drink me only…” and are based on ektaal for a melodic nature.

Inspiration: Auld Lang Syne

Tagore’s composition: “Purano sei diner kotha”, “Kal sokale Uthbo.”

These two popular Rabindra Sangeet also have notable Scottish music influences. Tagore was mesmerized by the Scottish song “Auld Lang Syne” and used its tune in his two Rabindra sangeets. “Auld Lang Syne ”’ is sung in a pentatonic Scots folk melody and quicker tempo.
In “purano sei diner kotha,” Tagore adapted the tune in ektaal with ¾ beats. He also adapted the theme of the original Scottish song. Because” Purano sett Diner kotha” also reminisces about the golden old days.

On the other hand, the song “Kal sokale uthbo mora” is composed on the Khemta taal, which also has the formation of 3/3/3/3 but has a different tempo.

Inspiration: Robin Adair

Tagore’s composition: Sakali Phuralo Swapno

Tagore took inspiration from the popular 18th century Irish/ Scottish song “Robin Adair “. This song, written by Lady Caroline Keppel, had written after marrying Robin Adair, British army personnel.

Tagore was deeply moved by the balladic tune of this Scottish song and adapted the tune in “Sakali Phuralo Swapono”. This song was composed for the Kaal-Mrigaya drama scene six.

He there Indianised the tune and used ektaal to suit the sad undertone of the song” Sakali Phuralo.”

Inspiration: Ye banks and braes

Tagore’s compositions: Phule Phule dhole dhole

“Ye Banks and Braes” or the “Banks O’ Doon” is a popular Scots song. Robert Burns composed this song in 1791.

Tagore here adapted the tune on the Khemta taal. His adaptation made “Phule Phule…” a wonderful song with a unique lyrical nature.

Besides these songs, Tagore was often impressed and inspired with Scottish and Irish tunes and gradually incorporated the tunes into different songs he composed. The melodic nature of such western songs helped Tagore imbibe a western and universal tune into his songs despite being rooted in Indian music.

রবীন্দ্রসংগীত- পর্যায় ও পর্যালোচনা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহুমুখী প্রতিভার স্বাক্ষর পাওয়া যায় তাঁর গানের মাধ্যমে- যেগুলি আমাদের কাছে রবীন্দ্রসংগীত রূপে পরিচিত ।  কবিগুরুর গানে  বিভিন্ন চেতনা এবং অভিব্যক্তির প্রকাশ ঘটেছে।

রবি ঠাকুর নিজে তাঁর লেখা সমস্ত গানের শ্রেণীবিভাজন করেছিলেন এবং বিস্তারিত ভাবে গীতবিতান বইতে লিপিবদ্ধ করে গিয়েছেন।

রবীন্দ্রসংগীত মূলত ছয়টি শ্রেণী বা “পর্যায়”-এ বিভক্ত| এই ছয়টি পর্যায় হলো- পূজা, প্রকৃতি, প্রেম, স্বদেশ, বিচিত্র, ও আনুষ্ঠানিক পর্যায়।

পূজা পর্যায়

পূজা পর্যায়ের রবীন্দ্রসংগীতগুলি আরাধনা এবং প্রার্থনার উদ্যেশে রচিত। তাঁর রচিত পূজা পর্যায়ের সংগীতগুলি সর্বশক্তিমান ঈশ্বর এর   প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।  কিছু পূজা পর্যায়ের সংগীত প্রেম এবং প্রেমাস্পদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের ভাবের উপরে ভিত্তি করে রচিত।  কবিগুরু মোট ছয়শো সতেরোটি পূজা পর্যায়ের সংগীত রচনা করে ছিলেন।

“শুধু তোমার বাণী নয় হে সখা “এবং “কবে আমি বাহির হলেম এই পর্যায়ের অন্তর্গত।

পূজা পর্যায় একুশটি উপ-পর্যায়ে বিভক্ত-

  • প্রার্থনা
  • গান
  • জাগরণ
  • বন্ধু
  • বিরহ
  • সাধনা বা সংকল্প
  • দুঃখ
  • আশ্বাস
  • আত্মবন্ধন
  • উৎসব
  • আনন্দ
  • নিঃসহায়
  • সাধক
  • অন্তর্মুখী
  • বিবিধ
  • বিশ্ব
  • বাউল
  • পথ
  • সুন্দর
  • শেষ
  • পরিণয়


প্রকৃতি পর্যায় 

যে সকল রবীন্দ্রসংগীত প্রকৃতির বিভিন্ন রূপ এবং বিভিন্ন প্রকার ঋতুর রূপের বর্ণনা করে সেগুলিকে প্রকীর্তি পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।  সেই জন্য অনেক সময় এই পর্যায়কে ঋতু পর্যায় বলেও অভিহিত করা হয়।

“এস হে বৈশাখ” , “শরৎ তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি” ইত্যাদি রবীন্দ্রসংগীত এই পর্যায়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

কবিগুরু প্রকৃতি পর্যায়কে ঋতুচক্র অনুসারে সাতটি উপ পর্যায়ে ভাগ করেছেন –

  • সাধারণ – উনিশটি গান
  • গ্রীষ্ম – ষোলোটি গান
  • বর্ষা – একশো পনেরোটি গান
  • শরৎ – তিরিশটি গান
  • হেমন্ত – পাঁচটি গান
  • শীত – বারোটিগান
  • বসন্ত – নব্বইটি গান


প্রেম পর্যায় 

কবিগুরুর প্রেম পর্যায়ের সংগীতগুলি স্বকীয় ভাব বহন করে। এই রবীন্দ্রসংগীতগুলি প্রেমিক এবং প্রেমিকার প্রেমের অন্তরঙ্গতার পরিচয় বহন করে না।  পরিবর্তে, কবিগুরুর প্রেম পর্যায়ের সংগীতগুলি শাশ্বত এবং পবিত্র প্রেম বা platonic love এর বর্ণনা দিয়ে থাকে।  কিছু কিছু প্রেম পর্যায়ের সংগীতে দুই বন্ধুর পরস্পরের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ ভালোবাসার আভাষ পাওয়া যায়।  কবিগুরু মোট তিনশো পঁচান্নব্বইটি সংগীত এই পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

“তোমায় গান শোনাবো” এবং “তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা ” প্রেম পর্যায়ের রবীন্দ্রসংগীত।

এটি দুটি উপ-পর্যায়ে বিভক্ত।  সেগুলি হলো-

  • গান- সাতাশটি গান
  • প্রেম বৈচিত্র- তিনশো আটষট্টি-টি সংগীত


স্বদেশ পর্যায়

কবিগুরু অনেকগুলি গান ভারতবাসীর মধ্যে দেশপ্রেমের ভাবনা এবং উদ্দীপনা জাগরণের জন্য লিখেছিলেন।  স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমিকায় লেখা এই সব গানে দেশপ্রেমের ভাবনা সুস্পষ্ট। গীতবিতানে মোট ছেচল্লিশটি গান স্বদেশ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।

উদাহরণ : “একলা চলো রে “, “এবার তোর মরা গাঙে” ইত্যাদি


 বিচিত্র পর্যায়

কবিগুরু তার সংগীতের মাধ্যমে মানব মনের বিভিন্ন অনুভূতিকে বিভিন্নভাবে প্রকাশ করেছেন।  এই রকম বিচিত্রভাবের উপরে লিখিত মোট একশো চল্লিশটি সংগীতকে তিনি বিচিত্র পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

উদাহরণ: মম চিত্তে নীতি নৃত্যে

নাই ভয় নাই

ওঠো রে মলিন মুখ

যখন পড়বেনা মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে

গ্রাম ছাড়া ওই রাঙামাটির পথ


আনুষ্ঠানিক পর্যায়

সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন বিবাহ, জন্মদিন, এবং স্মরণসভায়  গাওয়ার জন্য কবিগুরু মোট একুশটি সংগীত রচনা করেছিলেন।  এগুলি আনুষ্ঠানিক পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।

কয়েকটি উদাহরণ-

মরুবিজয়ের কেতন

অগ্নিশিখা এস এস

শুভদিনে এসেছে দোঁহে


উল্লেখযোগ্যভাবে কয়েকটি রবীন্দ্রসংগীত যেমন “উজ্জ্বল করো হে আজি” পূজা পর্যায় এবং আনুষ্ঠানিক পর্যায় উভয় শ্রেণীতেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


উপরোক্ত ছয়টি মূল পর্যায় ছাড়াও রবীন্দ্রসংগীতে আরো কিছু বিশেষ শ্রেণীবিভাগ দেখা যাযা।  এইগুলি হলো-


গীতিনাট্য ও নৃত্যনাট্য

গীতিনাট্য হলো গানের উপর ভিত্তি করে রচিত নাট।  এরকম নাটকে গানের বহুল ব্যবহার দেখা যায়।  কবিগুরুর রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গীতিনাট্য হলো বাল্মীকি প্রতিভা, মায়ার খেলা, কাল মৃগয়া ।

নৃত্যনাট্য হলো বিশেষ প্রকারের নাট।  এই প্রকার নাটকে গান এবং নৃত্যের মাধ্যমে গল্প এবং চরিত্রগুলিকে ফুটিয়ে তোলা হয়।  শ্যামা, চণ্ডালিকা, চিত্রাঙ্গদা হলো কবিগুরুর লেখা কয়েকটি বিখ্যাত নৃত্যনাট্য।

এই গীতিনাট্য এবং নৃত্যনাট্যের সংগীতগুলিকে কবিগুরু কিছু ক্ষেত্রে অন্য পর্যায়েও লিপিবদ্ধ করেছেন।


ভানু সিংহের পদাবলী

নিজের লেখক জীবনের শুরুতে কবিগুরু ভানু সিংহ ছদ্মনামে কিছু বিশেষ শ্রেণীর পদাবলী রচনা করেছিলেন।  এই পদাবলীর সংগীতগুলির মধ্যে ভারতীয় রাগসঙ্গীত এবং ব্রজবুলি ভাষার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।  মোট কুড়িটি সংগীত ভানু সিংহের পদাবলীর অন্তর্গত।



মরণ রে তুহু মম শ্যাম সমান

সাঙ্গনগগনে ঘোর ঘনঘটা



রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিছু বিশেষ সংগীত(প্রায় একশো তেত্রিশটি গান)রচনা করেছিলেন যেগুলি নাটক হলেও সংগীতের আকারে পরিবেশিত হয়ে থাকে।

যেমন- চিরিতন হরতন ইস্কাবন (তাসের দেশ)

সখী আর কত দিন সুখবোনে

বুঝেছি বুঝেছি সখা

Parjaay of Rabindrasangeet

Rabindranath Tagore, the Bard, mesmerized the world with his soulful and diverse music compositions. The vast collection of his songs can be divided and further classified according to the theme of the songs. All of his pieces can be found in the book “Gitabitan.”

Rabindra sangeets are divided into six “Parjaayas,” which is a Bengali word meaning “class” or “position.” Tagore himself classified his songs and described them in detail. The Parjaays are-

Puja Parjaay

The word”Puja” stands for “worship” or “Offering.” These songs are sung in the worship of the almighty and the creator of the universe. Tagore also composed a few pieces in which a lover worships their muse or love. Tagore composed and wrote six hundred and seventeen songs in this parjaay.

Example of Puja Parjaay Rabindrasanggeet are-

“Kobe Ami Bahir Holem”

“Sudhu Tomar Bani noy he sokha”

The Puja parjaay is further divided into twenty-one “Upa-Parjaay” or sub-classes-

  • Prarthana
  • Gaan
  • Jaagoron
  • Bondhu
  • Biraha
  • Sadhana or Sankalpa
  • Dukka
  • Ashwas
  • Aatmobodhan
  • Utsab
  • Anondo
  • Nihshanshay
  • Sadhak
  • Utsab
  • Bibidha
  • Bishwa
  • Baul
  • Poth
  • Sundar
  • Sesh
  • Porinoy

 Prakriti Parjaay

The songs of the Prakriti parjaay describe nature, especially its seasons and beauty and other aspects. There are 283 songs included in his parjaay. Songs like” Eso he Boishakh Eso Eso” and “ Poush toder daak dieche” are included in this parjaay.

The Prakriti Parjaay is further divided into seven sub-class ro “Upa-parjaay.”

These are-

  • Sadharon(common)- 19 songs
  • Grishma(Summer)-16 songs
  • Borsha(Monsoon)-115 songs
  • Sharat(Early Autumn0- 30 songs
  • Hemanta(Late Autumn)- 5 songs
  • Sheet(Winter)- 12 songs
  • Basanta(Spring)- 90 songs

Prem Parjaay

The word Prem stands for “Love.” Tagore composed his lobe songs which display selfless love and platonic love instead of regular romantic feelings. Some pieces also show love for friends etc. The Prem Parjaay has a total of three hundred and ninety-five songs.

Examples are “Tomay Gaan Shonabo” and “Tumi sondhyaro Meghomala.”

This Parjaay is further classified into two Upa-Parjaays-

  • Gaan- 27 songs
  • Prem Boichitra- 368 songs

Swadesh parjaay

The songs of the Swadesh Prjaay are patriotic songs that Tagore wrote to arouse the national feelings among Indians during the Indian freedom movement.  This Parjaay has a total of forty-six songs. An example of this song is “Jodi tor Dak Shune,” “Ebar tor Mora Gange.”

Bichitro Parjaay

The Bengali word “Bichitro” stands for “Wonderful” or “Astonishing” or “Amazing.” The songs included in the Bichitro Parjaay are based upon rhythm, different moods of human consciousness, dance, drama etc. There are a total of one hundred and forty songs in this parjaay.

Some examples of this parjaay are-

Momo Chitte Niti Nruittye

Nai Bhoy Nai

Otho Re Molin Mukh

Jakhan Porbe na Mor Payer Chinha

Gram chara oi Rangamatir

Anusthanik Parjaay

The songs included in the Anusthanik Parjaay are the Ceremonial songs composed by Tagore. These songs can be sung in different ceremonies, including birthdays, marriages and even during funerals. The Gitabitan has twenty-one songs in this parjaay.

Some examples are-

Marubijoyer Ketono

Shubhodine Esheche Dnohe

Agnishikha Eso Eso

A striking feature of this Parjaay is that there are nine songs, including “Ujjwol Karon He Aji,” which are also included in the Puja Parjaay.

Besides these six parjaays, there are alo other classifications of Rabindrasangeet. These are-

Geetinatya O Nrityanatya

Tagore composed multiple Musical dance dramas, which were performed with songs and verses and with dance.

The Geetinatyas were musical dramas with particular importance on songs. These are “Balmiki Pratibha”, “Mayar Khela”, “Kal Mrigaya”. On the other hand, the drams “Chandalika,” “Shyama,” and “Chitrangada” are included in Nrityanatya or dance dramas.

The songs included in these dramas are also often found included in other parjaays.

Bhanu Singher Padabali

Tagore composed the Bhanu SIngher Padabali at the start of his career under the pen name” Bhanu Singha.” These songs have a classic undertone with a closer affinity to Brajabuli and classical Bengali dialect. There are a total of twenty songs included in this section.

Some popular songs are

“Maran re tuhu mama shyama soman”

“Shangana gagane Ghor Ghanaghata”


Tagore also wrote multiple dramas in his literary career. Most of these drams came with a few songs which complemented the flow and storyline. These are called “Natyageeti.” Tagore composed a total of one hundred thirty-three natyageetis. Some examples are-

Chiriton Haraton Iskabon(included in Tasher Desh)

Sokhi Aar Koto Din Sukhodine

Bujhechi Bujhechi Sokha

Maintenance tips for your harmonium

Your harmonium has accompanied you for years during your practice during functions. It has made your performance excellent, but you also need to take proper care of your beloved harmonium like any other musical instrument. The appropriate maintenance keeps it in top condition and also increases the shelf life of the instrument. Here are some essential harmonium maintenance tips for anyone who uses it a lot

Maintenance tips of harmonium

Keep it is a dry place with ambient temperature

The best way to store your harmonium is in a dry place with ambient temperature. A warm or even a cold place can damage your harmonium. The climate can shorten or lengthen the lifespan of your musical instrument.

Hence, store it away from direct sunlight or beside an air conditioner or a room heater. Sunlight or excessive warmth can damage the wooden components of this string instrument. The wood may dry out more than you imagine. Besides that, sunlight can also downgrade the smoothness of the keys. If a harmonium is kept in sunlight for too long, it may lose its capacity to store and hold air.

During monsoon, try to keep it in a place where the rain or dampness will not reach the instrument.

You should always ensure that your harmonium is not in contact with water or dampness. Moisture can disturb the melodic nature, and the harmonium can produce a torn sound.

Check the humidity

Like the water, humidity is also a destroyer of your harmonium. Therefore, it should be kept in a place with a maximum of 60 percent humidity. If you cannot control the humidity, keep it near your house plants or in a dry place. That will be enough.

Always close the stops after you are finished

You need to use the harmonium properly to ensure it lasts for a long time. Unfortunately, most novice musicians and learners do not close their harmonium properly after practice or function. It can result in bent drone stops and damaged bellows.

Therefore, after you have finished playing, take time and follow the proper steps to close it. First, you have to close the drones properly. This will clear any remaining traces of air inside the instrument. After this, gently wipe the bellow to clean the dust particles. Now, close the harmonium properly and cover it for future usage.


হারমোনিয়ামের ইতিহাস

ভারতীয় ধ্রুপদী সংগীতের আনুষাঙ্গিক বাদ্যযন্ত্র হিসেবে হারমোনিয়াম প্রতিনিয়ত ব্যবহার হয়ে থাকে। এই যন্ত্রটি মূলত ইউরোপ মহাদেশ থেকে ভারতে এসেছিলো। আসুন দেখা যাক কী ভাবে ইউরোপীয় একটি বাদ্যযন্ত্র ভারতীয় সংগীত ঘরানায় প্রধান স্থান গ্রহণ করলো।

হারমোনিয়ামের জন্ম

এন্টোন হ্যাকেল নামক জনৈক ব্যক্তি প্রথম একটি কীবোর্ড জাতীয় বাদ্যযন্ত্র তৈরী করেন।তিনি এটার নাম দিয়েছিলেন “ফাইসারমোনিকা “।কয়েক শতক পরে গ্যাব্রিয়েল জোসেফ গ্রেনি “ourge expressif” নাম টি বাদ্যযন্ত্র তৈরী করেন যেটি ফ্রি-রীড প্রযুক্তির সাহায্যে জটিল এবং আরো শ্রুতিমধুর সংগীত উৎপন্ন করতে সক্ষম ছিল। অবশেষে ১৮৪০ সালে আলেক্সান্দ্রে ডিবাইন , একজন ফরাসি বাদ্যযন্ত্র নির্মাতা আধুনিক ইউরোপিয়ান হারমোনিয়াম তৈরী করেন।

ধীরে ধীরে এই নতুন বাদ্যযন্ত্রটি ফ্রান্স এবং জার্মানিতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমান সময়েও জার্মান রিডের হারমোনিয়ামের আলাদা কদর রয়েছে। ইউরোপ হারমোনিয়াম বাজানো হতো ফুট প্যাডেল এর সাহায্যে। যন্ত্রবাদক পা দিয়ে ব্লো এবং হাঁটুর সাহায্যে স্টপ আর ভাল্ভ পরিচালনা করেন। ভাল্ভ আর স্টপারের সাহায্যে বায়ু রিসার্ভারের মধ্যে চলাচল করতে পারে এবং বায়ুর বেগকে খুব সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায় । এর কারণে হারমোনিয়াম জটিল এবং শ্রুতিমধুর স্বর উৎপন্ন করতে পারে।

পাশ্চাত্য সংগীত মহলে হারমোনিয়াম দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। আঠোরো এবং ঊনবিংশ শতকে পাশ্চাত্য ধ্রুপদী সংগীতে হারমোনিয়ামবহুলভাবে ব্যবহৃত হতো। বহু সংগীতকার সেই সময় হারমোনিয়ামকে কেন্দ্র করে সংগীত এবং অপেরা রচনা করতেন। ফরাসি সংগীতকার লুই ভার্ন, রাশিয়ান সুরকার দিমিত্রি সস্তাকোভিচ , বেলজিয়ামের বিখ্যাত সংগীতকার সিজার ফ্র্যাঙ্ক জার্মান সুরকার সিগফ্রিড কার্ট- এলার্ট প্রমুখ এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

প্রথমদিকে হারমোনিয়াম অভিজাতদের বাদ্যযন্ত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। ধীরে ধীরে শ্রুতিমধুর স্বরের কারণে পাশ্চাত্য লোকশিল্প এবং সাধারণের বাদ্যযন্ত্র রূপে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পরবর্তীকালে ব্যালাড এবং দেশাত্মবোধক সংগীত শিল্পীরা হারমোনিয়ামকে নিজেদের প্রধান বাদ্যযন্ত্র রূপে গ্রহণ করেন।

ঊনবিংশ শতাব্দীতে ফরাসি ডবল-রিড হারমোনিয়াম আমেরিকাতেও জনপ্রিয় ছিল। স্ক্যান্ডেনেভিয়ান লোকগীতিতে বিংশ শতকেও হারমোনিয়ামের বহুল প্রচলন ছিল ইলেকট্রিক বাদ্যযন্ত্র আবিষ্কারের পর এবং রক ও আধুনিক সংগীতের প্রচলন বৃদ্ধি পায়। এরপর হারমোনিয়াম ধীরে ধীরে নিজের জনপ্রিয়তা এবং কৌলিন্য হারিয়ে ফেলে। স্ট্রিট মিউজিক এবং চার্চে ইউরোপীয় হারমোনিয়াম এখনো ব্যবহৃত হয়। সাম্প্রতিককালে বহু জনপ্রিয় সুরকার- টিমো আলালটিলা এবং মিলিয়া ভিজলিয়ামা প্রমুখ কেবলমাত্র হারমোনিয়ামের জন্য সংগীত এবং অপেরা রচনা করছেন। এই বিশেষ সৃষ্টি গুলি শুধুমাত্র হারমোনিয়ামেই বাজানো সম্ভব।

ভারতীয় হারমোনিয়ামের জন্ম

ভারতে ব্রিটিশরা হারমোনিয়াম আমদানি করেন। কাঠের তৈরী হারমোনিয়াম সহজেই জাহাজে করে ভারতে আনা সম্ভব ছিল এবং এটি ভারতীয় উপমহাদেশের আবহাওয়ার অনুকূল ছিল। এই কারণেই ব্রিটিশ শাসনের সময় চার্চ এবং ইউরোপীয় মহলে হারমোনিয়াম ছিল অপরিহার্য।

১৮৭৫ সালে, দ্বারকানাথ ঘোষ নামের একজন বাঙালি বাদ্যযন্ত্র নির্মাতা আধুনিক ভারতীয় হারমোনিয়াম ডিজাইন করেন। তার তৈরি হারমোনিয়াম ইউরোপীয় হারমোনিয়ামের থেকে অনেকটাই আলাদা ছিল। তিনি হারমোনিয়ামের আয়তন প্রায় অর্দ্ধেক হ্রাস করে এটিকে সহজে বহনযোগ্য যন্ত্রে পরিণত করেন। এছাড়াও তিনি ফুট-প্যাডেলের বদলে হ্যান্ড ব্লো ব্যবহার করেন।

দ্বারকানাথ ঘোষ একজন দক্ষ শিল্পী ছিলেন। তিনি ভারতীয় সংগীতের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী হারমোনিয়াম যন্ত্রের নকশা তৈরী করেছিলেন। নিজের উদ্ভাবনী ক্ষমতার সাহায্যে তিনি হারমোনিয়ামের ভিতরের গঠনে পরিবর্তন করেন এবং ড্রোন স্টপারের ব্যবহার শুরু করেন। এর কারণে ভারতীয় হারমোনিয়াম আরো জটিল সুর উৎপাদন করতে সক্ষম।

শুরুতে ভারতীয় সংগীত শিল্পীগণ বিদেশী অনুপ্রেরণায় তৈরী হারমোনিয়াম নিয়ে উৎসাহিত ছিলেন না। মারাঠি লোকগীতি শিল্পীরা প্রথম হারমোনিয়াম ব্যবহার করা শুরু করেন। মারাঠি লোকসংগীতের দুই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী গণপত রাও এবং গোবিন্দ তেম্বা সংগীত পরিবেশনের সময় হারমোনিয়াম বাজাতেন এবং এর প্রচলনে সাহায্য করেন।

পরবর্তীকালে পন্ডিত ভীমসেন জোশি, উস্তাদ বড়ে গুলাম আলী খাঁ, বেগম আখতার এর মতো প্রতিথযশা শিল্পীরা হারমোনিয়ামকে ভারতীয় সংগীতের অপরিহার্য অঙ্গ করে তোলেন। এনাদের প্রেরণা এবং অবদানের ফলেই আজকে ভারতীয় সংগীতক্ষেত্রে হারমোনিয়াম অন্যতম যন্ত্ররূপে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এছাড়াও গজল, কাওয়ালি, ধর্মীয় সংগীতের সময় হারমোনিয়াম ব্যবহৃত হয়।

ধীরে ধীরে এই হারমোনিয়াম ভারতীয় সংগীত মহলে জনপ্রয়িতা লাভ করে। ১৯১৫ সাল থেকে ভারত হারমোনিয়াম রপ্তানিতে প্রধান স্থান দখল করে থাকে। এই ভারতীয় হারমোনিয়াম সংগীতে সুবিধাজনক। কারণ ভারতীয় সংগীত মূলত মাটিতে বসে পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও হারমোনিয়াম জটিল এবং শ্রুতিমধুর ধ্বনি উৎপাদনে সক্ষম। পরবর্তীকালে, হারমোনিয়াম এর মধ্যে স্কেল চেঞ্জ করার সুবিধাও যোগ করা হয়েছে।

History of Harmonium

Harmonium, one of the main musical instruments in Indian classical music, has its roots in European countries like France, Germany etc. So, what is the real history of Harmonium? How was it imported into India?

 The birth of Harmonium in Europe

Anton Hackle first designed a keyboard instrument named “Physharmonica”; the prototype. After a few decades, Gabriel Joseph Grenié invented a new instrument, “Orgue Expressif’ and it was able to produce more complex sounds through free-reeds. In 1840, the European Harmonium was invented. Alexandre Debain, a French instrument maker, invented a better version of Orgue Expressive. He named it “Harmonium”.

The European Harmonium gradually became popular in Germany France. Even during modern times, Germen free-reed harmoniums are coveted. The European Harmonium had foot-operated bellows to produce sounds. The knee operated the valves and stops to makes sounds and melodies. The valves and stops allowed the wind to pass through the reservoir, and it produced more complex tones than any other musical instrument.

Harmonium became a delight for a classical western music school for its complex sounds and melodic nature during its peak. As a result, a lot of composers started to write down musical pieces, especially for Harmonium. French composer Louis Vierne, Russian composer Dmitri Shostakovich, Belgian Composer Cesar Frank, German composer Sigfrid Karg-Elert and others composed excellent and memorable pieces, especially for Harmonium.

Harmonium was at first a musical instrument for the affluent section. But, gradually, it became popular among the mass and folk musicians, and street musicians started to use it for patriotic music and ballads.

During the 19th century, Fench produced double-keyboard Harmonium was extremely popular in the USA. It Was even popular in the Scandinavian folk music sector till mid 20th century.

Harmonium gradually lost its status and grace as electronic music instruments became popular in the 20th century with the changing music scenario of the west.

At present, the Harmonium is mostly seen in churches and with street musicians who use the portable Harmonium to perform live. However, modern musicians notably, Timo Alalotila de Milla Viljiamma, continue to work with Harmonium and keep its traditions alive.

Indian Harmonium- a Revolution

The British rulers imported Harmonium in India. It was portable, could produce a variety of notes and sounds, and withstand the extremely humid weather of the Indian subcontinent. As a result, harmoniums were common in Church prayers and Western music scenarios during Colonial rule.